Home >> Story >> দংশন

Short Story

দংশন

কৌশিক সেন

‘মিস্টার রথীন বাসু, আমি চাই আপনি একেবারে রিল্যাক্সড হয়ে খুব আস্তে আস্তে দু’বছর আগের সেই দিনটায় চলে যান, যখন প্রথম আপনারা উইকেন্ডে বেড়াতে যাওয়ার প্ল্যান করছিলেন। খুঁটিনাটি সব কিছু বলুন। যতই উদ্ভট মনে হোক, আপনার ফিলিংসগুলোর একেবারে গোড়ায় চলে যান, কিছু বাদ দেবেন না,’ ডক্টর সাটন বললেন।

ঘরের আলোটা মোমবাতির মতো নরম আর সোফাটা তেমনই আরামদায়ক। আমি আস্তে আস্তে পেছন দিকে হাঁটা শুরু করলাম। সুজিত আর নীপার ফোনটা এসেছিল বিকেল নাগাদ।

‘সত্যি ওরা যাবে বলছে? বাচ্চাগুলোর ঠান্ডা লেগে যাবে না? শুনছ, রথীনদাকে একটু জিজ্ঞেস করো, পাহাড়-জঙ্গলে না গিয়ে বিচের দিকে গেলে হয় না?’ নীপার গলা।

সুজিতের দশ আঙুলে ল্যাপটপের খুটখাট, এক কানে চাপা আইফোন, খুব উত্‌সাহের সঙ্গে অ্যাপালাচিয়ান ট্রেল-এ হাইকিং আর লগ কেবিনে রাত্রিবাস নিয়ে বক্তব্য রেখে চলেছে। নীপার প্রশ্নটা ওর কানে গেল না বটে, কিন্তু ফোনের ওপ্রান্তে বসে আমি বেশ শুনতে পেলাম।

‘নীপাকে বলো যে, সবসময় বাচ্চাদের কথা না ভেবে তাদের বাবাদের কথাও একটু ভাবতে। আমাদের দরকার নির্জনতা আর লগ কেবিনে বার-বি-কিউ, ফায়ারপ্লেসের আগুন আর স্কটিশ গঙ্গাজল!’

‘ঠিক বলেছ রথীনদা। চলো, তাহলে কেবিনটা বুক করে দিচ্ছি, শুক্রবার সকালেই বেরিয়ে পড়ব,’ সুজিত উত্তেজিত।

নীপার গলাটা তাও উদ্বিগ্ন শোনাচ্ছে।

‘এই উইকেন্ডে একটা ঝড়বৃষ্টি হওয়ার কথা আছে না? টেম্পারেচার হঠাত্‌ করে নেমে গিয়ে যদি আবার বরফ পড়ে? যা ঠান্ডা পড়েছে এ বছর!’

‘তুমি না আমার সব প্ল্যান গুবলেট করে দিতে ভালবাস। আরে, এটা এপ্রিল মাস, ইস্টারের ছুটি, যাকে বলে বসন্তকাল। ওই ঝড়বৃষ্টি এত সাউথে আসবে না। দেখবে, নিউ ইয়র্কে গেলেই কমজোর হয়ে গেছে,’ সুজিত আমার কাছে সাপোর্ট চাইছে, বেচারার সংসার একেবারেই মাতৃতান্ত্রিক।

‘তুই


TO READ THE REST OF THIS PIECE, SUBSCRIBE NOW

You may like