চিঠিপত্র

প্রতিবেদকের উত্তর

  • মনে রাখা দরকার নিজের জানার পরিধির বাইরেও অনেক সম্ভাবনা থাকে। ‘আজও মনে পড়ে’ ছাড়াও অন্যত্র যূথিকা রায়ের স্মৃতি রোমন্থন পাওয়া যায়।

    তেমনই একটি হল ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ বিবিধ ভারতী-তে প্রচারিত একটি সাক্ষাত্‌কার। সাক্ষাত্‌কারটি ছিল হিন্দিতে। সেখানে উনি বলছেন, “...হামকো অন্দর লেকে গয়ে, বাপুজি এক ছোটে সে আসন পর বয়ঠে হ্যাঁয়... অউর আঁখো মেঁ বহুত মোটে কাঁচ কা চশমা হ্যায়। উসমেঁ সে উসি তরহ হামকো দেখনে লগে অউর হসনে লগে। আভাজি নে কহা কি ‘আজ বাপুজি কা মউন-ব্রত হ্যায় অউর ওয়হ আজ নহিঁ বোলেঙ্গে’, তো ঠিক হ্যায়, সামনে তো আগয়া বাপুজি কে। বাপুজি কো হামনে প্রণাম কিয়া, উনহোনে দোনো হাথ মেরে সর পে রখকর বহুত আশীর্বাদ কিয়া, ফির ওয়হ লিখনে লগে, লিখ লিখ কর ওয়হ আভা কো দেতে থে অউর ওয়হ পঢ়কর হামকো বাতাতে থে।”

    যূথিকা রায়ের বিখ্যাত হয়ে যাওয়া গানের পঙ্ক্তি যেগুলি ওখানে তাঁর পক্ষে গাওয়া স্বাভাবিক ছিল সেগুলিই রচনায় উল্লেখ করা হয়েছে। মনে রাখতে হবে তিনি খুব অল্প সময় গান করেননি। ‘ঘুঙ্গটকে পট ...’ গানটি ওই সাক্ষাত্‌কারের মুদ্রিত বয়ানে যেমন ছিল তেমনটিই লেখা হয়েছে। সেই সূত্রেই ‘তুঝে পিয়া...’কেও আলাদা বলে দেখানো হয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে পত্রলেখক ঠিকই বলেছেন, ও দু’টি একই গানের অংশ।

    চন্দন বসু রায়